



Weight :
ফাইবার যুক্ত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন প্রাচীন একটি খাবার কাউনের চাল।
এখন থেকে আমাদের কাছে পাচ্ছেন একদম ফ্রেশ এবং ন্যাচারাল কাউনের চাল।
কাউনের চাল হলো একটি পুষ্টিকর শস্য যা ছোট দানার হয়ে থাকে এবং প্রোটিন, ফাইবার ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ। এটি গ্লুটেন-মুক্ত এবং স্বাস্থ্যকর, যা ওজন নিয়ন্ত্রণ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং হজমে সাহায্য করে। কাউনের চাল দিয়ে পায়েশ, পোলাও, খিচুড়ি এমনকি সাধারণ ভাতও রান্না করা যায়।
পুষ্টিগুণ
প্রোটিন ও ফাইবার:
সাধারণ চালের চেয়ে বেশি প্রোটিন ও ফাইবার থাকে।
ভিটামিন ও খনিজ:
এতে ভিটামিন বি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক ও আয়রন থাকে।
গ্লুটেন-মুক্ত:
এটি গ্লুটেন-মুক্ত হওয়ায় গ্লুটেন সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জন্য উপযুক্ত।
কাউন চালের উপকারিতা
হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ:
কাউন চালে থাকা প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়তা করে।
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়:
এতে থাকা পটাশিয়াম লবণের ভারসাম্য বজায় রেখে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমাতে ভূমিকা রাখে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক:
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কাউন চাল উপকারী বলে বিবেচিত হয়।
শক্তি ও পুষ্টি সরবরাহ:
ভিটামিন ও মিনারেলসমৃদ্ধ কাউন চাল শরীরের এনার্জির ঘাটতি পূরণ করে এবং শরীরকে সচল ও কর্মক্ষম রাখতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।
গ্লুটেনমুক্ত:
এটি গ্লুটেনমুক্ত হওয়ায় যারা গ্লুটেন সংবেদনশীল বা স্যালিয়াক রোগে আক্রান্ত, তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার বিকল্প।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ:
কাউন চালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
প্রোটিন ও খনিজ লবণ:
এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও খনিজ লবণ থাকে, যা শরীর গঠন ও সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যবহার
রান্না:
কাউনের চাল দিয়ে পায়েশ, পোলাও, খিচুড়ি এবং সাধারণ ভাত রান্না করা যায়।
অন্যান্য:
এটি দিয়ে বিস্কুটও তৈরি করা হয়।








Choose an option below